যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার অরল্যান্ডো শহরে সমকামীদের একটি নাইট ক্লাবে গত
শনিবার রাতে এক বন্দুকধারীর গুলিতে ৫০ জন নিহত হয়েছেন। এ হামলার দায়
স্বীকার করেছে জঙ্গিগোষ্ঠী আইএস।
রাত দুইটার দিকে হামলাকারী ‘পালস’ নামের ক্লাবটিতে ঢুকে পড়েন। তাঁর কাছে ছিল একটি রাইফেলসহ তিনটি অস্ত্র। অস্ত্রের মুখে তিনি সবাইকে জিম্মি করে ফেলেন। ঘণ্টা তিনেক পরে সেখানে অভিযান চালায় পুলিশ। এ সময় গুলিতে হামলাকারী নিহত হন।
কর্মকর্তারা জানান, হামলাকারী ওমর মতিন আফগান বংশোদ্ভূত মার্কিন নাগরিক। ২০১৩ সাল থেকে তাঁর ওপর নজর রাখছিল যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা এফবিআই।
যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে বন্দুকধারীর হামলায় এত বেশি মানুষ হতাহতের ঘটনা এর আগে ঘটেনি। এ ঘটনার পর অরল্যান্ডো শহরে জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যের অরল্যান্ডোর ‘পালস ক্লাব’ নামে সমকামীদের নৈশ ক্লাবে হামলাকারী বন্দুকধারীও গুলিতে নিহত হয়েছেন। গণমাধ্যমের খবরে বলা হচ্ছে, ওই হামলাকারীর নাম ওমর মাতিন। তাঁর জন্ম আফগানিস্তানে। খবর এএফপি, সিএনএন ও বিবিসি অনলাইনের। মার্কিন পুলিশ বলছে, কি কারণে হামলা তা জানা যায়নি। ওমরের বাবা বলেছেন, এ হামলার সঙ্গে ধর্মের কোনো সম্পর্ক নেই। নৈশ ক্লাবের এ হামলাকে ‘স্পষ্টতই সন্ত্রাসী হামলা’ বলে অভিহিত করেছেন ফ্লোরিডার গভর্নর রিক স্কট। এক সংবাদ সম্মেলনে রিক বলেন, এ হামলা ‘স্পষ্টতই সন্ত্রাসী হামলা।’
শনিবার দিবাগত রাতে অরল্যান্ডোর ওই ক্লাব যখন জমজমাট, তখন ক্লাবে ঢুকে এলোপাতাড়ি গুলি চালাতে শুরু করেন ওমর। তাঁর হাতে ছিল একটি রাইফেল আর একটি হ্যান্ডগান। আচমকা গুলির শব্দে অনেকেই প্রাণ বাঁচাতে নৈশ ক্লাব থেকে বেরিয়ে ঊর্ধ্বশ্বাসে ছুটে পালান
রাত দুইটার দিকে হামলাকারী ‘পালস’ নামের ক্লাবটিতে ঢুকে পড়েন। তাঁর কাছে ছিল একটি রাইফেলসহ তিনটি অস্ত্র। অস্ত্রের মুখে তিনি সবাইকে জিম্মি করে ফেলেন। ঘণ্টা তিনেক পরে সেখানে অভিযান চালায় পুলিশ। এ সময় গুলিতে হামলাকারী নিহত হন।
কর্মকর্তারা জানান, হামলাকারী ওমর মতিন আফগান বংশোদ্ভূত মার্কিন নাগরিক। ২০১৩ সাল থেকে তাঁর ওপর নজর রাখছিল যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা এফবিআই।
যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে বন্দুকধারীর হামলায় এত বেশি মানুষ হতাহতের ঘটনা এর আগে ঘটেনি। এ ঘটনার পর অরল্যান্ডো শহরে জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যের অরল্যান্ডোর ‘পালস ক্লাব’ নামে সমকামীদের নৈশ ক্লাবে হামলাকারী বন্দুকধারীও গুলিতে নিহত হয়েছেন। গণমাধ্যমের খবরে বলা হচ্ছে, ওই হামলাকারীর নাম ওমর মাতিন। তাঁর জন্ম আফগানিস্তানে। খবর এএফপি, সিএনএন ও বিবিসি অনলাইনের। মার্কিন পুলিশ বলছে, কি কারণে হামলা তা জানা যায়নি। ওমরের বাবা বলেছেন, এ হামলার সঙ্গে ধর্মের কোনো সম্পর্ক নেই। নৈশ ক্লাবের এ হামলাকে ‘স্পষ্টতই সন্ত্রাসী হামলা’ বলে অভিহিত করেছেন ফ্লোরিডার গভর্নর রিক স্কট। এক সংবাদ সম্মেলনে রিক বলেন, এ হামলা ‘স্পষ্টতই সন্ত্রাসী হামলা।’
শনিবার দিবাগত রাতে অরল্যান্ডোর ওই ক্লাব যখন জমজমাট, তখন ক্লাবে ঢুকে এলোপাতাড়ি গুলি চালাতে শুরু করেন ওমর। তাঁর হাতে ছিল একটি রাইফেল আর একটি হ্যান্ডগান। আচমকা গুলির শব্দে অনেকেই প্রাণ বাঁচাতে নৈশ ক্লাব থেকে বেরিয়ে ঊর্ধ্বশ্বাসে ছুটে পালান

No comments:
Post a Comment