যুক্তরাজ্যের বিরোধী লেবার পার্টির একজন এমপিকে গতকাল বৃহস্পতিবার গুলি
করে ও ছুরি মেরে হত্যা করা হয়েছে। জো কক্স (৪১) নামের ওই নারী এমপির ওপর
উত্তর ইংল্যান্ডে তাঁর নিজের নির্বাচনী এলাকায় হামলা চালান এক ব্যক্তি। পরে
সন্দেহভাজন হামলাকারীকে গ্রেপ্তারও করা হয়েছে। তাৎক্ষণিকভাবে এ হত্যার
পেছনে উদ্দেশ্য কী, তা জানা যায়নি।
প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেছেন, এমপি জো কক্স নিজ নির্বাচনী এলাকা লিডস শহরের কাছে বার্স্টলে ছিলেন। সেখানকার একটি গ্রন্থাগারের কাছে পঞ্চাশোর্ধ্ব এক ব্যক্তি তাঁকে গুলি করেন। এতে আহত হয়ে কক্স রাস্তায় পড়ে যান। পরে হামলাকারী এগিয়ে এসে খুব কাছ থেকে আরও দুটি গুলি করেন এবং ছুরিকাঘাতও করেন। পালিয়ে যাওয়ার সময় আক্রমণকারীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পুলিশ জানিয়েছে, তারা হামলার ব্যাপারে অন্য কাউকে সন্দেহ করছে না।
প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেছেন, ঘটনার আগে জো কক্স তাঁর নির্বাচনী এলাকার মানুষদের সঙ্গে কথা বলছিলেন। লাইব্রেরির বাইরে বিবাদে জড়িয়ে পড়া দুই লোকের ঝগড়া থামাতে গিয়েছিলেন তিনি।
একজন প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, এ সময় ওই ব্যক্তি গুলি ছোড়ে।
গুরুতর আহত এমপিকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে লিডস জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তিনি মারা যান। তাঁর ওপর হামলার সময় অন্য এক ব্যক্তি সামান্য আহত হয়েছেন। জো কক্স ওয়েস্ট ইয়র্কশায়ারের ব্যাটলি ও স্পেন এলাকা থেকে লেবার পার্টির এমপি নির্বাচিত হয়েছিলেন। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি দুই সন্তানের মা। তাঁর স্বামী ব্রেন্ডান কক্স বলেছেন, তিনি চান যে ঘৃণার কারণে জো খুন হয়েছেন, লোকে যেন তার বিরুদ্ধে লড়াই করে।
ওয়েস্ট ইয়র্কশায়ারের চিফ পুলিশ কনস্টেবল ডি কলিন্স বলেন, পুলিশ অস্ত্রসহ হামলাকারীকে গ্রেপ্তার করেছে। তিনি পঞ্চাশোর্ধ্ব ওই ব্যক্তির নাম প্রকাশ করেননি। তবে স্থানীয় বাসিন্দাদের বরাতে গণমাধ্যমে তাঁর নাম টমাস মেয়ার বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
জো কক্স যুক্তরাজ্যের ইউরোপীয় ইউনিয়নে (ইইউ) থেকে যাওয়ার পক্ষে জনসমর্থন আদায়ে প্রচারণা চালাচ্ছিলেন। তাঁর হত্যাকাণ্ডের পরপর উভয় পক্ষ ২৩ জুনের গণভোট নিয়ে প্রচারণা স্থগিত রাখার ঘোষণা দিয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরন ও লেবার পার্টি নেতা জেরেমি করবিনসহ রাজনৈতিক নেতারা এ হত্যার তীব্র নিন্দা জানিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
গার্ডিয়ান পত্রিকা স্থানীয় পুলিশের বরাতে জানিয়েছে, হামলার সময় ওই আক্রমণকারী ‘ব্রিটেন ফার্স্ট’ বলে চিৎকার করছিলেন। তবে ‘ব্রিটেন ফার্স্ট’ নামে কট্টর ডানপন্থী দলটি এ হামলার সঙ্গে তাদের সম্পর্ক অস্বীকার করেছে।
যুক্তরাজ্যে ইইউ প্রশ্নে গণভোট যতই এগিয়ে আসছে, এর পক্ষে-বিপক্ষের প্রচারণা ততই তীব্র হয়ে উঠছে। ইইউ জোটের মধ্যে থেকে অর্থনীতি, আইন, অভিবাসনসহ বিভিন্ন বিষয়ে যুক্তরাজ্যের স্বার্থরক্ষা হচ্ছে না—এই যুক্তিতে দেশটির রাজনীতিক ও নাগরিকদের একটা বড় অংশই জোট ত্যাগের পক্ষে।
জো কক্সের আগে পদে থাকা একজন সংসদ সদস্য আততায়ীর হাতে নিহত হয়েছিলেন ১৯৯০ সালে। বিদ্রোহী আইরিশ রিপাবলিকানদের হামলায় কনজারভেটিভ পার্টির এমপি ইয়ান গাও প্রাণ হারান।
প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেছেন, এমপি জো কক্স নিজ নির্বাচনী এলাকা লিডস শহরের কাছে বার্স্টলে ছিলেন। সেখানকার একটি গ্রন্থাগারের কাছে পঞ্চাশোর্ধ্ব এক ব্যক্তি তাঁকে গুলি করেন। এতে আহত হয়ে কক্স রাস্তায় পড়ে যান। পরে হামলাকারী এগিয়ে এসে খুব কাছ থেকে আরও দুটি গুলি করেন এবং ছুরিকাঘাতও করেন। পালিয়ে যাওয়ার সময় আক্রমণকারীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পুলিশ জানিয়েছে, তারা হামলার ব্যাপারে অন্য কাউকে সন্দেহ করছে না।
প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেছেন, ঘটনার আগে জো কক্স তাঁর নির্বাচনী এলাকার মানুষদের সঙ্গে কথা বলছিলেন। লাইব্রেরির বাইরে বিবাদে জড়িয়ে পড়া দুই লোকের ঝগড়া থামাতে গিয়েছিলেন তিনি।
একজন প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, এ সময় ওই ব্যক্তি গুলি ছোড়ে।
গুরুতর আহত এমপিকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে লিডস জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তিনি মারা যান। তাঁর ওপর হামলার সময় অন্য এক ব্যক্তি সামান্য আহত হয়েছেন। জো কক্স ওয়েস্ট ইয়র্কশায়ারের ব্যাটলি ও স্পেন এলাকা থেকে লেবার পার্টির এমপি নির্বাচিত হয়েছিলেন। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি দুই সন্তানের মা। তাঁর স্বামী ব্রেন্ডান কক্স বলেছেন, তিনি চান যে ঘৃণার কারণে জো খুন হয়েছেন, লোকে যেন তার বিরুদ্ধে লড়াই করে।
ওয়েস্ট ইয়র্কশায়ারের চিফ পুলিশ কনস্টেবল ডি কলিন্স বলেন, পুলিশ অস্ত্রসহ হামলাকারীকে গ্রেপ্তার করেছে। তিনি পঞ্চাশোর্ধ্ব ওই ব্যক্তির নাম প্রকাশ করেননি। তবে স্থানীয় বাসিন্দাদের বরাতে গণমাধ্যমে তাঁর নাম টমাস মেয়ার বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
জো কক্স যুক্তরাজ্যের ইউরোপীয় ইউনিয়নে (ইইউ) থেকে যাওয়ার পক্ষে জনসমর্থন আদায়ে প্রচারণা চালাচ্ছিলেন। তাঁর হত্যাকাণ্ডের পরপর উভয় পক্ষ ২৩ জুনের গণভোট নিয়ে প্রচারণা স্থগিত রাখার ঘোষণা দিয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরন ও লেবার পার্টি নেতা জেরেমি করবিনসহ রাজনৈতিক নেতারা এ হত্যার তীব্র নিন্দা জানিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
গার্ডিয়ান পত্রিকা স্থানীয় পুলিশের বরাতে জানিয়েছে, হামলার সময় ওই আক্রমণকারী ‘ব্রিটেন ফার্স্ট’ বলে চিৎকার করছিলেন। তবে ‘ব্রিটেন ফার্স্ট’ নামে কট্টর ডানপন্থী দলটি এ হামলার সঙ্গে তাদের সম্পর্ক অস্বীকার করেছে।
যুক্তরাজ্যে ইইউ প্রশ্নে গণভোট যতই এগিয়ে আসছে, এর পক্ষে-বিপক্ষের প্রচারণা ততই তীব্র হয়ে উঠছে। ইইউ জোটের মধ্যে থেকে অর্থনীতি, আইন, অভিবাসনসহ বিভিন্ন বিষয়ে যুক্তরাজ্যের স্বার্থরক্ষা হচ্ছে না—এই যুক্তিতে দেশটির রাজনীতিক ও নাগরিকদের একটা বড় অংশই জোট ত্যাগের পক্ষে।
জো কক্সের আগে পদে থাকা একজন সংসদ সদস্য আততায়ীর হাতে নিহত হয়েছিলেন ১৯৯০ সালে। বিদ্রোহী আইরিশ রিপাবলিকানদের হামলায় কনজারভেটিভ পার্টির এমপি ইয়ান গাও প্রাণ হারান।

No comments:
Post a Comment